Published : 27 Feb 2026, 09:05 AM
প্রায় এক দশক ধরে অভিনয়ে বিরতি নিয়েছেন ফরিদা আক্তার ববিতা। তাই চলচ্চিত্র জগতের আলোচনা সভায় তাঁর দেখা মেলা ভার। বৃহস্পতিবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে একুশে পদক গ্রহণ করতে গিয়েছিলেন ববিতা, যেখানে প্রধানমন্ত্রী তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দেন। পুরস্কার গ্রহণের বিরতিতে, দেশবরেণ্য এই অভিনয়শিল্পী প্রধানমন্ত্রীর সাথে কিছু সময় কথা বলার সুযোগ পান। ববিতা জানান, মুহূর্তটি ছিল খুবই আনন্দদায়ক। মাসখানেক আগে সরকার একুশে পদকের জন্য তাঁর নাম ঘোষণা করে। আজ প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে তিনি সেই সম্মাননা গ্রহণ করলেন। পুরস্কার হাতে পাওয়ার পর ববিতা যখন বাসায় ফিরছিলেন, তখন প্রথম আলোর সাথে কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর সাথে আসলে কী নিয়ে কথা হয়েছিল, জানতে চাইলে ববিতা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী প্রথমেই আমার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
আমি জানাই, আমি ভালো আছি। এরপর আমি তাঁকে জানাই, তাঁর কাছ থেকে পুরস্কার পেয়ে আমি কতটা আনন্দিত। এর আগে তাঁর বাবা থেকেও আমি পুরস্কার পেয়েছি।’ এদিকে, পুরস্কার গ্রহণ করার পরে ববিতা তাঁর ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সাথে হাসিমুখে ছবি তোলেন। তিনি রসিকতা করে বলেন, ‘ছবি তুলতে তুলতে আমি ক্লান্ত হয়ে গেছি। অনেক দিন পর এত মানুষের সাথে ছবি তুললাম। যদিও ক্লান্ত, তবে মুহূর্তটা ছিল দারুণ আনন্দের।’ ববিতা তাঁর এই একুশে পদক উৎসর্গ করেছেন বরেণ্য চলচ্চিত্রকার জহির রায়হানকে। তিনি বলেন, ‘আমি যখন ১৩ বছর বয়সে চলচ্চিত্র জগতে আসি, তখন জহির রায়হান আমাকে সুযোগ করে দেন।
সেই সময় আমাদের কাছে টাকাপয়সা মুখ্য ছিল না। প্রধান উদ্দেশ্য ছিল মনোযোগ দিয়ে কাজ করা, উন্নতি করা এবং শিল্পের প্রতি ক্ষুধা মেটানো। আমি সেই কাজগুলো করতে পেরেছি বলেই দর্শক আমাকে সম্মান ও ভালোবাসা দিয়েছেন। তাদের ভালোবাসার কারণেই আমি আজকের ববিতা। এই পুরস্কারের পেছনে তাদের অবদান রয়েছে। শ্রদ্ধেয় জহির রায়হান আমাকে চলচ্চিত্রের জগতে এনেছেন, তিনি না থাকলে আমি এতদূর আসতে পারতাম না। তাই আমার এই একুশে পদক আমি জহির রায়হানকে উৎসর্গ করছি।’।
রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষমতা দলীয় প্রধানের হাতে ন্যস্ত করল বিএনপি